শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ঘাটে জনস্রোত

কঠোর লকডাউন ৬ষ্ঠ দিনে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের উভয় পাড়ে জনস্রোত। একই সঙ্গে ঢাকায় ফেরা ও দক্ষিণবঙ্গগামী ঘরমুখো যাত্রীর চাপ রয়েছে। এরই মধ্যে শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় প্রায় শতাধিক ও বাংলাবাজার ঘাট এলাকায় প্রায় ৪ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

বুধবার বেলা ২টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে এই চিত্র দেখা যায়। তবে এর মধ্যে দক্ষিণবঙ্গ থেকে আসা ঢাকাগামী যাত্রীর চাপ বেশি।

সরেজমিনে দেখা যায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাবাজার ঘাটে যাত্রীর চাপ বাড়তে থাকে। যাত্রীরা ছোট ছোট যানবাহনে, ব্যাটারিচালিত আটোরিকশা,

প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলে করে ভেঙে ভেঙে পায়ে হেঁটে ঢাকার উদ্দেশ্যে কর্মস্থলের দিকে ছুটছেন। অনেকে মহাসড়ক দিয়ে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, থ্রি-হুইলারসহ বিভিন্ন যানবাহনে ভেঙে ভেঙে বাংলাবাজার ঘাট হয়ে ফেরিতে শিমুলিয়া ঘাটে আসেন।

এক্ষেত্রে তাদেরকে পথে পথে পুলিশের বাধা মোকাবেলা করতে হচ্ছে। জরুরি পরিষেবার আওতায় পণ্যবাহী পরিবহন, অ্যাম্বুলেন্স ঘাটে আসলেই পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে ফেরিতে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বিভিন্ন যানবাহনে করে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা। এতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।

বিআইডব্লিউটিসি (মাওয়া) ব্যবস্থাপক মো. ফয়সাল হোসেন জানান, সকাল থেকে এই নৌরুটে উভয়পাড়ে যাত্রীর চাপ রয়েছে। পদ্মা নদীতে প্রচুর বাতাস ও স্রোত থাকায় ফেরি সীমিত চালানো হচ্ছে। নৌরুটে সকাল থেকে ৭টি ফেরি চলাচল করছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে কে-টাইপ ও মিডিয়াম ফেরি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*