অব্যাহত থাকবে ভারি বৃষ্টি, ৩ নম্বর সংকেত বহাল

এক লঘুচাপের প্রভাব কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে আরেকটি সুস্পষ্ট লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। লঘুচাপটি আরো শক্তি সঞ্চার করেছে। এর প্রভাবে উপকূলীয়

এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া ও ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। দেশের সমুদ্রবন্দর এবং উপকূলীয় এলাকায় জারি করা ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টায় আবহাওয়ার এক সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য

বিরাজ করছে ও গভীর সঞ্চালনশীল (বজ্রমেঘ) মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সমুদ্রবন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

একই সঙ্গে চার বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিও অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে সতর্কবার্তায়।

ভারি বর্ষণের সতর্কবাণীতে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারি (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টি হতে পারে। অতিভারি বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ী এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে বলেও সতর্কবাণীতে জানানো হয়েছে।

এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ ছাড়া সব বিভাগে বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কোন কোন জায়গায় অতিভারি (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টি হয়েছে। এ সময় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে টেকনাফে, সেখানে ৩২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজারে ১১৫, কুতুবদিয়ায় ১২৫, মোংলায় ১৫৫, পটুয়াখালীতে ২৫২, খেপুপাড়ায় ২৬২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*